বানিয়াচংয়ে স্বামীকে খুঁজতে এসে নিরাপত্তা চাইলেন ভারতীয় নারী
অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বানিয়াচং উপজেলা সদরের ১ নম্বর উত্তর-পূর্ব ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কামালখানী মহল্লার চানপুর এলাকার পাশের হাওরের বন্দে মিজানের পিতা মৃত তাহের উল্লাহর ক্রয়কৃত নির্মাণাধীন বাড়িতে যাতায়াত ও বসবাস করতেন মিজান। অভিযোগ রয়েছে, বিয়ের পর প্রায় তিন বছর ধরে তিনি তার স্ত্রী সিতারা বেগমের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রাখেন।
পরবর্তীতে ভারতের একটি ব্যাংক থেকে মিজানের জন্য নেওয়া ঋণের ৪ লাখ ৭০ হাজার রুপি ফেরত চাওয়ার পর তিনি স্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
একপর্যায়ে স্বামী মিজানকে খুঁজতে ভারত থেকে ফ্লাইটযোগে বাংলাদেশে আসেন সিতারা বেগম। তিনি বানিয়াচংয়ে মিজানের বাড়িতে আসার পর বিষয়টি জানতে পেরে মিজান কৌশলে বাংলাদেশ ছেড়ে কাতারে পালিয়ে যান বলে অভিযোগ করেন সিতারা।
এ ঘটনায় গত ৩ অক্টোবর (শনিবার) মিজানকে প্রধান আসামি করে তার মা, ছোট ভাই ও বোন জামাতাসহ চারজনের বিরুদ্ধে বানিয়াচং থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন সিতারা বেগম। অভিযোগে তিনি নিজের জীবনের নিরাপত্তা, মিজানের কাছ থেকে পাওনা টাকা উদ্ধার এবং ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন।
সিতারা বেগমের অভিযোগের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বানিয়াচং থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ নাজমুল হক।
উল্লেখ্য, অভিযোগের আলোচনায় থাকা মিজান জুলাইয়ের ছাত্র আন্দোলনের এক দফা সরকার পতনের দাবিতে আন্দোলনে অংশ নেওয়া এবং ৫ আগস্ট পুলিশের গুলিতে নিহত (শহীদ) মুক্তিযোদ্ধা কাঠমিস্ত্রি (শ্রমিক) আকিনুর মিয়ার আপন ছোট ভাই বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

Post a Comment