ঢাকা:
|

No edit

সংবাদ শিরোনাম :
ঢাকা:
|

No edit

সংবাদ শিরোনাম :

আজমিরীগঞ্জে এসএসসিতে পাশের হার ৫২.৩৭ শতাংশ

প্রকাশঃ
প্রসেসিং হচ্ছে, দয়া করে অপেক্ষা করুন...
অ+ অ-

জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৬ জন, ৩৮২ জন অকৃতকার্য
মাসুদ রানা, আজমিরীগঞ্জ প্রতিনিধি: 
২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জ উপজেলায় পাশের হার দাঁড়িয়েছে ৫২ দশমিক ৩৭ শতাংশ। এ বছর উপজেলায় মোট ৮০২ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে ৪২০ জন। অকৃতকার্য হয়েছে ৩৮২ জন। বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে মোট ১৬ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ (A+) অর্জন করেছে।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের প্রকাশিত ফলাফল থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, উপজেলার মধ্যে পাহাড়পুর বসন্তকুমার পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয় সবচেয়ে ভালো ফলাফল করেছে। এ প্রতিষ্ঠান থেকে ১৫৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১০২ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। পাশের হার ৬৫ দশমিক ৮১ শতাংশ। এছাড়া প্রতিষ্ঠানটি থেকে সর্বোচ্চ ৬ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে।

আজমিরীগঞ্জ এবিসি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৮৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৪০ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। পাশের হার ৪৪ দশমিক ৯৪ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ জন।

মিয়াধন মিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১০০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৪৬ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। পাশের হার ৪৬ শতাংশ। এ প্রতিষ্ঠান থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ জন।

জলসুখা কৃষ্ণ গোবিন্দ পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৮৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৪০ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। পাশের হার ৪৫ দশমিক ৪৫ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন।

হাজী আব্দুল হেকিম ভূঁইয়া হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ৮৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৪৮ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। পাশের হার ৫৫ দশমিক ৮১ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন।

শিবপাশা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৭৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৪৩ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। পাশের হার ৫৪ দশমিক ৪৩ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন।

পশ্চিমভাগ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৬৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২৭ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। পাশের হার ৪২ দশমিক ৮৬ শতাংশ। এ প্রতিষ্ঠান থেকে কেউ জিপিএ-৫ পায়নি।

সাতগাঁও পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৭৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৫০ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। পাশের হার ৬৪ দশমিক ৯৪ শতাংশ। এ প্রতিষ্ঠান থেকেও কোনো শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করতে পারেনি।

অন্যদিকে, শৌলরী এসইএসডিপি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ে ৬৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২৪ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। পাশের হার মাত্র ৩৬ দশমিক ৯২ শতাংশ। এ প্রতিষ্ঠান থেকে কোনো শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পায়নি।

সামগ্রিক ফলাফলে উপজেলার ৯টি প্রতিষ্ঠানে ৮০২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৪২০ জন উত্তীর্ণ হওয়ায় পাশের হার দাঁড়িয়েছে ৫২ দশমিক ৩৭ শতাংশ। ফলাফলে জিপিএ-৫ এবং উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীর সংখ্যায় এগিয়ে রয়েছে পাহাড়পুর বসন্তকুমার পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, উপজেলার ফলাফল আরও ভালো করতে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পাঠদান, বিদ্যালয়ে উপস্থিতি নিশ্চিত করা, দুর্বল শিক্ষার্থীদের প্রতি বিশেষ নজর দেওয়া এবং শিক্ষকদের পাশাপাশি অভিভাবকদের আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখা প্রয়োজন।

একটি মন্তব্য করুন